Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

সিটিজেন চার্টার

 

* বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।

 

* জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক/সামাজিক/অর্থনৈতিক শ্রেণী নির্বিশেষে প্রতিটি থানায় সকল নাগরিকের সমান আইনগত অধিকার লাভের সুয়োগ রয়েছে।

 

* থানায় আগত সাহায্য প্রার্থীদের আগে আসা ব্যক্তিকে আগে সেবা প্রদান করা হবে।

 

* থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে এবং আবেদনের ২ য় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং সংশিস্নষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরসহ তা আবেদনকারীকে প্রদান করতে হবে। বর্ণিত জিডি সংক্রামত্ম বিষয়ে যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এবং গ্রহীতা ব্যবস্থা পুণরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।

 

* থানায় মামলা করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত ব্যক্তব্য অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহার ভুক্ত করবে এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখ ও ধারা এবং তদমত্মকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করবে। তদমত্মকারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাকে তদমেত্মর অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং তদমত্ম সমাপ্ত হলে তাঁকে ফলাফল লিখিত ভাবে জানিয়ে দিবে।

 

* থানায় মামলা করতে আসা কোন ব্যক্তির মামলা অফিসার ইনচার্জ/থানার ডিউটি অফিসার এন্ট্রি করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তখন উক্ত বিষয়টির উপর প্রতিকার চেয়ে নিমণবর্ণিত নিয়মানুযায়ী আবেদন করবেন :

   (ক) সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) এর নিকট আবেদন করবেন। (খ) তিনি যদি উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন না করনে  তাহলে উক্ত ব্যক্তি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করবেন। (গ) অত:পর তিনি যদি উক্ত ব্যক্তির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে উক্ত ব্যক্তি সংশিস্নষ্ট ডিআইজির’র নিকট আবেদন করবেন। (ঘ) তাঁরা কেউ উক্ত বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করলে মহাপুলিশ পরিদর্শকের নিকট উক্ত বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করবেন।

 

* আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং এ বিষয়ে থানা সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবে।

 

* শিশু/কিশোর অপরাধী সংক্রামত্ম বিষয়ে শিশু আইন, ১৯৭৪ এর বিধান অনুসরণ করা হবে এবং তাঁরা যাতে কোন ভাবেই বয়স্ক অপরাধীর সংস্পর্শে না আসতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে। এজন্য দেশের সকল থানা পর্যায়ক্রমে কিশোর হাজত খানার ব্যবস্থা করা হবে।

 

* মহিলা আসামী/ভিকটিমকে যথা সম্ভব মহিলা পুলিমের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

 

* কিছু সংখ্যক থানায় ওয়ান স্টপ ডেলিভারী সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উক্ত ওয়ান স্টপ ডেলিভারী সার্ভিস সেন্টার সকল থানায় প্রবর্তন করা হবে।

 

* আহত/মানসিকভাবে বিপর্যসত্ম ভিকটিকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে ভিকটিম সাপোর্ট ইউনিট চালু করা হবে।

 

* পাসপোর্ট/ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে তদমত্ম সম্পন্ন করে থানা হতে সংশিস্নষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।

 

* থানা হতে বর্ণিত আইনগত সহযোগিতা না পাওয়া গেলে বা কোন পুলিশ সদস্যদের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর বরাবর অভিযোগ দাখিল করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ (ক) লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এবং তা অভিযোগকারীকে অবহিত ক্যরবেন। (খ) ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়া ব্যক্তির বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনবেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এবং তা অভিযোগকারীকে জানাবেন। (গ) টেলিফোনে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

 

* সকল থানায় পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এএসপি  (হেডকোয়ার্টার্স), সংশিস্নষ্ট সার্কেল এএসপি এবং থানার অফিসার ইনচার্জের টেলিফোন নম্বর থানায় প্রকাশ্যস্থানে প্রদর্শিত হবে।

 

* থানার পুলিশ সদস্যগন কম্যুনিটির সাথে নিরবিচ্ছন্ন যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং কম্যুনিটি ওরিয়েন্টড পুলিশ সার্ভিস চালু করবেন।

 

* উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত কম্যুনিটির সহিত অপরাধমুলক/জনসংযোগমূলক সভা করবেন এবং সামাজিক সমস্যা সমূহের আইনগত সমাধানের প্রয়াস চালাবেন।

 

* বিদেশে চাকুরী/উচ্চশিক্ষার জন্য গমনেচ্ছুক প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করবে।

 

* ব্যাংক হতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমাণ টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরাপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কর্টেও ব্যবস্থা করা হবে।

 

* জেলা শহরে যানবাহন নিয়ন্ত্রনে ট্রাফিক সংশিস্নষ্ট কি কি সেবা প্রদান করছে তা প্রকাশ্যস্থানে প্রদর্শিত হবে।